বর্ণমালা খুঁজছে আপনাকেই !

স্বেচ্ছাসেবায় অংশ নিন।

"বর্ণমালাঃ অনলাইন বাংলা সাহিত্য" প্রজেক্টে স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন। আপনিও হতে পারেন এ সাইটের একজন স্বেচ্ছাসেবী। এ জন্যে প্রথমে এ সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে নিতে হবে।

স্বেচ্ছাসেবীর কাজ কি হবে?

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১৮৬৩ - ১৯১৫)

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এর জন্ম ১৮৬৩ সালের ১০ই মে, বাংলা ১২৭০ শে বৈশাখে ময়মনসিংহ জেলার সমূয়া গ্রামের বনেদি রায় পরিবারে। বাবা কালীনাথ রায় তাঁর পাণ্ডিত্যের জন্য পরিচিত ছিলেন মুন্সী শ্যামসুন্দর নামে। তাঁই দ্বিতীয় পুত্র ছিলেন কামদারঞ্জন। এই পরিবারের আর এক শাখার নিঃসন্তান জমিদার হরিকিশোর রায়চৌধুরী দত্তক নিলেন তাঁর নিকট আত্মীয়ের চার কি পাঁচ বছরের এই রূপবান সুন্দর ছেলেটিক

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০ - ডিসেম্বর ৯, ১৯৩২)

বেগম রোকেয়া জন্মগ্রহণ করেন ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে। তাঁর পিতা জহীরুদ্দিন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের সম্ভ্রান্ত ভূস্বামী ছিলেন। তাঁর মাতা রাহাতুন্নেসা সাবেরা চৌধুরানী। রোকেয়ার দুই বোন করিমুননেসা ও হুমায়রা, আর তিন ভাই যাদের একজন শৈশবে মারা যায়।

সৈয়দ ইসমাঈল হোসেন সিরাজী (১৮৮০-১৯৩১)

সৈয়দ ইসমাঈল হোসেন সিরাজী ১৮৮০ সালে পাবনার সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহন করেন। তিনি একাধারে কবি ও ঔপন্যাসিক ছিলেন। তার উপন্যাসগুলো হচ্ছে- রায়নন্দিনী, তারাবাঈ, ফিরোজা বেগম, ও নুরুদ্দীন। তিনি ১৯১২ সালে বলকান যুদ্ধের সময়ে একটি চিকিৎসা দলের সাথে তুরস্কে যান। তিনি পরবর্তীতে কংগ্রেস ও মুসলিম লিগের রাজনীতিতে জড়িত হয়ে পড়েন।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৩৮)

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলী জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মতিলাল চট্টোপাধ্যায় ও মাতার নাম ভুবনমোহিনী দেবী। তিনি ১৯৩৮ সালের ১৬ জানুয়ারি মারা যান।

মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭ - ১৯১২)

মীর মশাররফ হোসেন ১২৫৪ বঙ্গাব্দের ২৮শে কার্তিক মোতাবেক ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৩ই নভেম্বরে নদীয়া জেলার গৌরী নদীর তীরবর্তী লাহিনী পাড়া গ্রামে, মাতামহ মুন্সী জিনাতুল্লার বাটীতে, বিবি দৌলতন্নেসার গর্ভে মীর মশাররফ হোসেন জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম মীর মুয়াজ্জম হোসেন। মর্শারফ ছিলেন তাঁর পিতার দ্বিতীয় পরে প্রথম সন্তান। রাজ-কার্যে যোগ্যতা ও পারদর্শিতার জন্য এঁরা 'মীর' উপাধি পান। প্রক

জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯ - ১৯৫৪)

জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯, বরিশাল - অক্টোবর ২২, ১৯৫৪, বাংলা ৬ই ফাল্গুন, ১৩০৫) একজন প্রতিভাবান বাঙালি কবি। তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ, মাতা কুসুমকুমারী দাশ। তিনি ছিলেন পরিবারের বড় ছেলে, তার ছোট ভাই অশোকানন্দ এবং বোন সুচরিতা। তিনি শিক্ষালাভ করেন প্রথমে বরিশাল ব্রজমোহন স্কুলে ও ব্রজমোহন কলেজে, পরে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী সাহিত্যে ১৯২১ সালে এম. এ.

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১ - ১৯৪১)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ই মে, ১৮৬১-৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ব.-২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ব.) বাংলা সাহিত্যের দিকপাল কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গীতিকার, সুরকার, নাট্যকার ও দার্শনিক। তিনি তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পু

সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৯২৬ - ১৯৪৭)

সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৫ই আগস্ট, ১৯২৬ - ১৩ই মে, ১৯৪৭) বাংলা সাহিত্যের একজন কবি। পিতা-নিবারন ভট্টাচার্য, মা-সুনীতি দেবী। কলকাতায় মাতামহের ৪৩, মহিম হালদার স্ট্রীটের বাড়ীতে তার জন্ম। সুকান্ত ছিলেন নিবারন ভট্টাচার্যের ছয় সন্তানের মধ্

সুকুমার রায় (১৮৮৭ - ১৯২৩)

সুকুমার রায় (১৮৮৭ - ১৯২৩) একজন বাঙালি শিশু সাহিত্যিক ও বাংলা সাহিত্যে ননসেন্স্ এর প্রবর্তক। তাঁর লেখা কবিতার বই আবোল তাবোল, গল্প হযবরল, গল্প সংকলন পাগলা দাশু, এবং নাটক চলচিত্তচঞ্চরী বিশ্বসাহিত্যে সর্বযুগের সেরা "ননসেন্স" ধরণের

প্রথম কবি ও প্রথম কাব্য

তমসা নদীর ধারে বাল্মীকি মুনির তপোবন ছিল। দুধারে গভীর বন, তাহার মাঝখান দিয়া সুন্দর ছোট নদীটি কুলকুল করিয়া বহিতেছে। তাহার জল এতই পরিষ্কার যে তলার বালি অবধি স্পষ্ট দেখিতে পাওয়া যায়। একটুও কাদা নাই, একগাছিও শ্যাওলা নাই। কাচের মতো টলমল করিতেছে। বাল্মীকি নদীর ধারে বেড়াইতে আসিলেন, আর সেই নির্মল জল দেখিয়া তাঁহার মনে বড়ই সুখ হইল। সঙ্গে তাঁহার শিষ্য ভরদ্বাজ ছিলেন, তাঁহাকে তিনি বলিলে

পৃথিবীর পিতা

সকলের আগে যাঁহাকে লোকে রাজা বলিয়াছিল, তাঁহার নাম ছিল পৃথু। তিনি সূর্যবংশের লোক ছিলেন, তাঁহার পিতার নাম ছিল বেণু।

পুরাণের গল্প

সূচীপত্র

ভীতু কামা (জুলু দেশের গল্প)

এক যে ছিল ছোট ছেলে, তার নাম ছিল কামা। সে এতটুকু মানুষ ছিল, তার পেটটি ছিল বড়, হাত-পা ছিরল কাঠি কাঠি। সে অন্য ছেলেদের সঙ্গে জোরে পারত না, খেলতে গেলে খালি তাদের হাতে মার খেত। বেচারা চুপ করে সে সব সয়ে থাকত, তার গায়ে জোর ছিল না, কাজেই কি নিয়ে ঝগড়া করবে? তার ইচ্ছা হত যে সে খুব ভারি ভারি কাজ করে, খালি গায় জোর ছিল না বলে সেসব কিছু করতে পারত না।

সাগর কেন লোনা?

এক যে ছিল রাজা, তার নাম ফ্রদি। তার ছিল একটা যাঁতা, তাকে বলত গ্রত্তি। সে যাঁতা যেমন তেমন যাঁতা ছিল না, তাকে ঘুরিয়ে যে জিনিস ইচ্ছা, তাই তার ভিতর বার করা যেত।

কিন্তু ঘোরাবে কে? সে যাঁতা ছিল পাহাড়ের মত বড়। রাজার চাকরেরা সেটা নাড়তেই পারল না। রাজার দেশে যত জোয়ান ছিল, সকলে হার মেনে গেল, সে যাঁতা কিছুতেই ঘুরবার নয়।

Syndicate content